স্কুল-কলেজের রুটিন করতে অনুসরণীয় দিকসমূহ

0 68

 

দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খুলছে। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পাঠদান নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো রুটিন তৈরির নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। কোন মৌলিক রুটিন নয়, অধিদপ্তর থেকে রুটিন তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশনা অনুযায়ী ক্লাস সমন্বয় করে রুটিন করতে হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষকদের।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রুটিন তৈরির নির্দেশনা জারি করা হয়।

দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার পর রুটিন তৈরির ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তর।

১. ২০২১ ও ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসবে।

২. প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা একদিন প্রতিষ্ঠানে আসবে।

৩. সপ্তাহে প্রতিদিন নির্দিষ্ট শ্রেণিতে ২টি করে ক্লাস ধরে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রুটিন তৈরি করবে।

৪. রুটিনের সঙ্গে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবহারিক ক্লাস নির্ধারণ করা যেতে পারে।

৫. যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তর সংযুক্ত রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠান ওই সব স্তরের জন্য নির্ধারিত ক্লাসগুলো সমন্বয় করে রুটিন করবে।

৬. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চলমান ডিগ্রি, সম্মান ও মাস্টার্স পরীক্ষার সঙ্গে সমন্বয় করে ২০২১ ও ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য রুটিন প্রণয়ন করে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

৭. রুটিন প্রণয়নের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ, প্রস্থান ও অবস্থানের সময় স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের মতো কোন বিষয় না ঘটে।

৮. রুটিন এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে এবং প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়।

৯. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আপাতত অ্যাসেম্বলি বন্ধ থাকবে।

১০. প্রতিদিন নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী তথ্য পাঠাতে হবে।

১১. পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ক্লাস রুটিন তৈরির ক্ষেত্রে উল্লিখিত বিষয়গুলো অনুসরণ করতে হবে।

গতকাল রাতে শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমিক শাখার পরিচালক মো. বেলাল হোসেন দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মৌলিক রুটিন দেওয়াটার আলোচনা হলেও আমরা মনে করছি তাদের রুটিন করে দেওয়া ঠিক হবেনা। এক একটি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত সক্ষমতা এক এক রকম। আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত প্রাথমিক শাখা রয়েছে। তাই আমরা তাদের ওপর কিছু চাপিয়ে দিতে চাচ্ছিনা। আমরা চাচ্ছি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষই ঠিক করবে কোন কোন দিন কোন শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেবেন। আমরা অধিদপ্তর থেকে মৌলিক কোন রুটিন নয় বরং, রুটিন কিভাবে হবে সে বিষয়ে নির্দেশনা দিতে চাচ্ছি।

শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক আরও বলেন, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২১ ও ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ছয়দিনই ক্লাস করানো হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Comments
Loading...