Take a fresh look at your lifestyle.

শিক্ষক পাঁচ হাজার, কর্মচারী পাবেন আড়াই হাজার টাকা করে

নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

152

করোনায় শিক্ষাখাতের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থের তালিকায় আছেন নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা। কারণ হিসেবে দেখানো যায়, তাঁদের আয়-রোজগার বন্ধ।
তবে এবার এক লাখেরও বেশি এসব শিক্ষক-কর্মচারীর মুখে অল্প সময়ের জন্য হলেও হাসি ফুটবে। রমজানের এ ঈদের পর নন-এমপিও শিক্ষকদের পাঁচ হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দেবে সরকার। কর্মচারীরা পাবেন আড়াই হাজার টাকা করে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এই টাকা পাঠানো হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, দেশে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে সাড়ে সাত হাজার। করোনায় এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। এজন্য তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের অধীন নন-এমপিও ৮০ হাজার ৭৪৭ জন শিক্ষককে পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। আর ২৫ হাজার ৩৮ জন কর্মচারী পাবেন আড়াই হাজার টাকা করে। এই সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও জানা গেছে। সরকার অর্থ বরাদ্ধ করেছে ৪৬ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। নন-এমপিও শিক্ষকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরও এই খাতে একই পরিমাণ বরাদ্দ দিয়েছিল সরকার।

টাকার যেন কোন অব্যবস্থাপনা না হয় অর্থাৎ শিক্ষক-কর্মচারীরাই যাতে নগদ সহায়তা পান সে জন্য বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোকে (ব্যানবেইস) দায়িত্ব দেওয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেইসে সংরক্ষিত ৬৪ জেলার আট হাজার ৪৯২টি স্কুল ও কলেজের নন-এমপিও ৮০ হাজার ৭৪৭ জন শিক্ষক ও ২৫ হাজার ৩৮ জন কর্মচারী মিলে মোট এক লাখ পাঁচ হাজার ৭৮৫ জনের তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয়। সংরক্ষিত তালিকা ধরেই নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। তবে, তালিকায় সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।

আগের বছর প্রধানমন্ত্রীর ‘বিশেষ অনুদান’ খাত থেকে প্রাপ্ত অর্থ জেলা প্রশাসকদের কাছে সংশ্লিষ্ট নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের অনুকূলে চেক/ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছিল। এবার মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষক-কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে টাকা চলে যাবে।

অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সারা দেশের কারিগরি, মাদরাসা ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত নন-এমপিও ৫১ হাজার ২৬৬ জন শিক্ষকের জন্য আলাদা বরাদ্দের প্রস্তাব পাঠাচ্ছে। নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের নগদ সহায়তা দেওয়ার পর ওই সব প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠাতে পারে মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে সাড়ে সাত হাজার। আর একাডেমিক স্বীকৃতির বাইরে রয়েছে দুই হাজারেরও বেশি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

Comments are closed.